৬ লেনের মধুমতি ও তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ডেস্ক রিপোর্ট
583
প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০২২ | ০৮:১০:৪৬ এএম
ফাইল-ফটো
নড়াইলে দেশের প্রথম ছয়লেনের মধুমতি সেতু এবং নারায়ণগঞ্জে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১টা ১০ মিনিটে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতু দুটি উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে অবহেলিত অঞ্চলগুলো ঘুরে দাঁড়াবে। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে।
জানা গেছে, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) অর্থায়নে ৯৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে মধুমতি নদীর ওপর ৬৯০ মিটার দীর্ঘ মধুমতি সেতু নির্মিত হয়েছে যা স্থানীয়ভাবে কালনা সেতু নামে পরিচিত। তবে ২৭ দশমিক ১ মিটার চওড়া সেতুটিতে চারটি উচ্চ গতির লেন ৪ দশমিক ৩০ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ রোড এবং দুটি সার্ভিস লেনসহ ছয়টি লেন রয়েছে। তবে এটি নড়াইল, গোপালগঞ্জ, খুলনা, মাগুরা, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর এবং ঝিনাইদহ জেলাকে সংযুক্ত করেছে।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ক্রস বর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) অর্থায়নে এ সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এই উপলক্ষে সড়কের দুই পাশে ইতোমধ্যে লাগানো হয়েছে রঙ বেরঙের পতাকা। একই সঙ্গে নড়াইল, যশোর, বেনাপোলসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ অপেক্ষা করছে সেতুটি উদ্বোধনের জন্য।
প্রকল্প কর্মকর্তাদের মতে, এই সেতুটি চালু হওয়ার মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মানুষ দ্রুত সড়ক যোগাযোগ সুবিধা পাবে। কারণ সেতুটি কালনাঘাট থেকে রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব কমিয়ে দেবে।
যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, মধুমতি সেতুটি এ অঞ্চলের অর্থনীতিকে চাঙা করবে ও সড়ক যোগাযোগ ব্যাপকভাবে সহজ করবে। একই সঙ্গে বেনাপোল স্থলবন্দর, মোংলা সমুদ্রবন্দর ও নওয়াপাড়া নদী বন্দরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
এ বিষয়ে নড়াইলের জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে স্থানীয়দের দীর্ধদিনের অপেক্ষার অবসান হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলা ও নড়াইল জেলার অন্তর্গত লোহাগড়া উপজেলার মধ্যে মধুমতি সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
অপরদিকে, তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম নাসিম ওসমানের নামে নামকরণ করা হয়েছে। সেতুটির দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ২৯ কিলোমিটার।
সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি। প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল ২০১০ সালে।
সেতু নির্মাণে খরচ ধরা হয় ৬০৮ দশমিক ৫৬ কোটি টাকা। এরমধ্যে সরকারের তহবিল থেকে ২৬৩ দশমিক ৩৬ কোটি টাকা এবং সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) থেকে ৩৪৫ দশমিক ২০ কোটি টাকা এসেছে।
আরও পড়ুন:
জাতীয় সম্পর্কিত আরও
ভোলা ধনিয়া ইউনিয়নের ৪ কিলোমিটার খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন
০২ মে ২০২৬
ভোলায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস’ পালিত : দোরগোড়ায় আইনি সেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার
০২ মে ২০২৬
ভোলায় সমবায় ব্যাংক লিমিটেড ৯৬ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
৩০ এপ্রিল ২০২৬
ভোলায় কৃষি প্রযুক্তি ও পুষ্টি মেলা–২০২৬ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
২৯ এপ্রিল ২০২৬
ভোলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ২৩ হাজারর ৫৭১ পরীক্ষার্থী
২৪ এপ্রিল ২০২৬
ভোলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ ও নববর্ষ উদযাপন
১৭ এপ্রিল ২০২৬
